Home National অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলছে রাজশাহীতে

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলছে রাজশাহীতে

4
0

রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে কয়েকদিন থেকে একটানা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলছে। অভিযানের পরও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের ফুটপাত দখল করে চলেছে হোটেল ও বিভিন্ন ধরণের দোকান। পরিবর্তন হচ্ছে মালিকানা। নতুন করে ফুটপাত দখলে নেমেছে অনেকে।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে গত বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) উচ্ছেদ অভিযান চালান। দোকানগুলো উচ্ছেদের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দখলদার দোকানিরা আবার ফিরে আসে। এমনকি হাসপাতালে বহির্বিভাগের কাছে গণশৌচাগারের সামনের অংশে দোকান করায় যে দোকানিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল, দুই ঘণ্টার মধ্যে না উঠলে তার ২০ হাজার টাকা জরিমানা করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তিনিও রয়ে গেছেন বহাল তবিয়তে।

হাসপাতালের সামনের ফুটপাত দিয়ে কখনোই পথচারীরা হাঁটার সুযোগ পান না। কিছুদিন পরপর ফুটপাতগুলো দখলমুক্ত করার জন্য অভিযান চালানো হয়। তবে পরের দিন থেকে আবার দখলদারেরা এসে ফুটপাতে দোকান খুলে বসেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দেখা যায়, আগের মতোই হোটেলে রান্নাবান্না চলছে। হোটেলের সামনে হেঁটে যাওয়া পথচারীদের উদ্দেশে হাঁকডাক ঠিক আগের মতোই শোনা যাচ্ছে। একটি হোটেলের মালিক
সোহেলকে বুধবার ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। তার দোকানেও ধুম বেচাকেনা চলেছে। হোটেলের সামনে রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে একজন নারী কর্মচারী রুটি তৈরি করছেন।

দেখা গেল, বুধবার অভিযানের সময় যারা রাস্তার দক্ষিণ পাশের বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের প্রাচীরের ওপর দিয়ে মালামাল ফেলে দিয়েছিলেন, তারাও আবার দোকান মেলে বসেছেন। আর যাঁরা মালামাল নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন, তারা কয়েক ঘন্টা পর দোকান খোলা শুরু করেন।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগের সামনে গণশৌচাগারের সামনে যে দোকান পরিচালনা করা হচ্ছিল। বুধবার বেলা সোয়া ২টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সে দোকানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। তখন দোকানের কর্মচারী মো. দুলাল আলী দুই ঘণ্টার মধ্যে দোকান সরিয়ে নেওয়ার কথা বলে মুচলেকা দিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না সরালে ২০ হাজার টাকা
জরিমানা করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

কিন্তু শুক্রবার সকালে দেখা যায়, দোকানটি সেখানেই রয়ে গেছে। তবে দোকানের কর্মচারী বদল হয়ে গেছেন। দোকানে বসে ছিলেন কর্মচারী মোহাম্মদ আলী। দুই ঘণ্টার মধ্যে দোকান সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি চুপ করে থাকেন। তবে গণশৌচাগারের ভেতর থেকে কোমল পানীয়ের বোতলগুলো সরানো হয়েছে। সেখানে শুধু প্যাকেটগুলো রাখা আছে।

রাসিকের ম্যাজিস্ট্রেট সমর কুমার পাল বলেন, অসুবিধা নেই। যতবার বসবে ততবার জরিমানা করা হবে। গত বুধবার ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪১টি দোকানে ১ লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here