Home More লঞ্চের কেবিন থেকে অজ্ঞাতনামা নারীর যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

লঞ্চের কেবিন থেকে অজ্ঞাতনামা নারীর যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

5
0

ঢাকা-বরিশাল নৌ-পথের বিলাসবহুল যাত্রীবাহী ডাবল ডেকার পারাবত-১১ লঞ্চের ৩৯১ সিঙ্গেল কেবিন থেকে অজ্ঞাতনামা নারীর যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ, মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বরিশাল নৌ-বন্দর পল্টুনে বাদিং করা লঞ্চ থেকে উদ্ধার করা হয়।

লঞ্চের কেবিন বয়, সুপারভাইজার, সিআইডি,নৌ-পুলিশসহ কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার ঢাকার সদরঘাট এলাকা থেকে ওই নারী যাত্রী পারাবত-১১ লঞ্চের ৩৯১ কক্ষের যাত্রী ছিলেন।

এর পূর্বে উক্ত সিঙ্গেল কক্ষটি জনৈক কামরুল নামে এক ব্যক্তি বুকিং দেন। যার মোবাইল নং ০১৭১১….৯২। এছাড়া ওই নারীর আর কোন পরিচয় এখন পর্যন্ত পায়নি পুলিশ।

এদিকে রবিবার তৃতীয় তলার লঞ্চের দায়ীত্বরত কেবিন বয় বায়জিদ পুলিশকে জানায় রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত উক্ত কক্ষে কাউকেই তারা আসতে দেখেন নাই।

সকালে লঞ্চ বরিশাল ঘাটে নঙ্গর করার পর একেক করে সকল কেবিন ও ডেকের যাত্রীরা নেমে যাওয়ার পর  পুনরায় কেবিনে কোন যাত্রী অবস্থান করছে কিনা সে বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে ৩৯১ কক্ষের যাত্রীর কোন প্রকার সাড়াশব্দ না পেয়ে কেবিন বয় বায়জিদ বিষয়টি লঞ্চ সুপারভাইজার নজরুলকে অবহিত করে সে এসে একই অবস্থা দেখে নৌ-বন্দর থানা পুলিশকে সংবাদটি জানায় নৌ-বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ-আল মামুন সহ নৌ পুলিশের সদস্যরা এসে দরজা টান দিতে খুলে যায়।

পরবর্তীতে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশকে জানানো হলে লঞ্চে ছুটে আসেন, সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. রাসেল, ওসি নুরুল ইসলাম, ওসি তদন্ত আব্দুর রহমান মুকুল, ওসি আপরেশন মোজাম্মেল হক সহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন।

একই সময়ে ছুটে আসেন ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) পুলিশ তারাও কেবিনের তদন্ত ও পর্যবেক্ষণ করে।

এক প্রর্যায়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তিন দপ্তরের সদস্য যে যার মত করে সিসি ক্যামেরা থেকে শুরু করে মৃত্যুর রহস্যের সন্ধান চালায়।

সিআইডি পুলিশ পরিদর্শক আল-মামুন ইসলাম জানায় লাশের গলায় একটি কালো দাগের একটি চিহ্ন তারা দেখতে পায়। প্রাথমিক প্রর্যায়ে ধারনা করা হচ্ছে যৌন সম্পর্কের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে।

অপরদিকে এসি রাসেল জানায়, ধারণা করা হচ্ছে নারীকে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া আগে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

তবে এ ব্যাপারে বরিশাল নৌ-বন্দর থানা পুলিশ বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করবেন বলে ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here