Home More সৌদি প্রবাসীদের জন্য সুখবর; যতো ফ্লাইট লাগবে অনুমোদন দেওয়া হবে

সৌদি প্রবাসীদের জন্য সুখবর; যতো ফ্লাইট লাগবে অনুমোদন দেওয়া হবে

1
0

করোনাকালীন মধ্য প্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ফ্লাইট বন্ধ থাকার পর এবার সৌদি প্রবাসীদের জন্য বড় ধরনের সুখবর দিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘সৌদি প্রবাসীদের জন্য যতো ফ্লাইট লাগবে ততো ফ্লাইটের অনুমোদ দেওয়া হবে।’

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গণশুনানি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বেবিচক চেয়ারমান বলেন, ‘এত দিন সৌদির সঙ্গে আমাদের আকাশপথে যোগাযোগ পুরাপুরি বিচ্ছিন্ন ছিল। মধ্য প্রাচ্যের অনেক দেশই ফ্লাইট শুরু করেছে। আমরা চাচ্ছিলাম সৌদি আরব থেকেও ফ্লাইট শুরু হোক। আমাদের বিমানও যেন যেতে পারে, সেই চেষ্টা করছি ।’

তিনি বলে বলেন, ‘আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। আমরা সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলেছি। বাংলাদেশিদের ফিরে যেতে সাউদিয়া যে কয়টা ফ্লাইটের অনুমোদন চাইবে, আমরা দেবো। তবুও যেন প্রবাসীরা ফিরে যেতে পারেন। একই সঙ্গে আমাদের বিমান বাংলাদেশও যেন যেতে পারে সেজন্য কাজ করছি।’

বিমানবন্দরে যাত্রীদের অভিযোগ ও পরামর্শ শুনতে এ গণশুনানির আয়োজন করা হলেও সেখানে মাত্র দুই জন যাত্রী বক্তব্য রাখেন। গণশুনানি শুরুর আগে ১০ থেকে ১২ জন যাত্রীকে গণশুনানিতে অংশ গ্রহণের জন্য নিয়ে আসেন বিমানবন্দরের কর্মীরা। তবে তাদের ফ্লাইটের সময় হওয়ায় সেখানে থেকে তারা চলে যান। পরবর্তীতে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিক ও বিমানবন্দরের বিভিন্ন সংস্থার কর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

গণশুনানিতে যাত্রীদের উপস্থিতি না থাকা প্রসঙ্গে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ‘এখন ফ্লাইট কম, তাই যাত্রীও কম। যেসব যাত্রী বিমানবন্দরে আসেন, তারা আসলে কোনো মিটিংয়ে যোগ দেওয়ার মাইন্ডসেট নিয়ে আসেন না। তাদের টার্গেট কখন ফ্লাইটে উঠবেন। দুই-একজনকে অনুরোধ করে নিয়ে আসা হয়, যদি তারা কোনো অভিযোগ জানাতে চান।’

বিমানবন্দরের কর্মীদের আচরণ ও ব্যবহার নিয়ে সাংবাদিকদের অভিযোগের জবাবে বেবিচক চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান বলেন, ‘আচার-ব্যবহারের পরিবর্তন আনতে হবে। এটা একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এখানে যারা কাজ করবেন তাদের প্রত্যেককের আচর- ব্যবহারও আন্তর্জাতিক মানের হতে হবে। আমরা প্রতিটি সংস্থার লোকজনকে সবসময় বলি— যাত্রীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে।’ বিমানবন্দরের পুলিশ, ইমিগ্রেশন, কাস্টমসসহ সব সংস্থার প্রতিনিধিদেরকে যাত্রীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার অনুরোধ করেন তিনি।

গণশুনানিতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর মো. খালিদ হোসেন, সদস্য (প্রশাসন) মো. মিজানুর রহমান, সদস্য (নিরাপত্তা) মো. শহীদুজ্জামান ফারুকী, সদস্য সদস্য (এটিএম) এয়ার কমডোর আমিনুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী আবদুল মালেক, বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের কমান্ডিং অফিসার মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম খান এবং চেয়ারম্যান দিলারা আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here