Home More রিজেন্ট কেলেঙ্কারি: শাহেদসহ স্বাস্থ্যের ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

রিজেন্ট কেলেঙ্কারি: শাহেদসহ স্বাস্থ্যের ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

1
0

লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও নভেল করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. শাহেদ করিম ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দায়েরকৃত মামলায় করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা ও চিকিৎসায় খরচ বাবদ ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ সংস্থাটির উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

শাহেদ ছাড়া আসামিদের মধ্যে স্বাস্থ্যের ৪ কর্মকর্তা হলেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. মো. দিদারুল ইসলাম।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে লাইসেন্স নবায়নবিহীন বন্ধ রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, মেমোরেন্ডাম ও আন্ডারস্ট্যান্ডিং সম্পাদন ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করিয়েছেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার বিষয়ে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেন, ‘অনুসন্ধান কর্মকর্তা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সরাসরি প্রমাণ পেয়েছেন তাদের আসামি করা হয়েছে। তবে এখানেই শেষ নয়, তদন্তে যদি আরও কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় তাদেরও চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অবৈধ পারিতোষিক বাবদ রোগীপ্রতি সাড়ে ৩ হাজার টাকা হিসাবে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেয়া হয়েছে। এছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের খাবার খরচ বরাদ্দ বাবদ ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার মাসিক চাহিদা তুলে নেয়া হয়েছে।’

করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা না করে ভুয়া রিপোর্ট দেয়া, সরকারের কাছে বিল দেয়ার পর আবার রোগীর কাছ থেকেও অর্থ আত্মসাতসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে গেল ৭ ও ৮ জুলাই অভিযান চালিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখা বন্ধ করে দেয় পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাব। লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকায় পরে হাসপাতালটির অনুমোদনও বাতিল করে স্বাস্থ্য বিভাগ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here